টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

Spread the love

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পুলিশের পরিচয়ে এক যুবকের মোটরসাইকেল থামিয়ে টাকা ও মোবাইল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে থানার এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী তায়েফ অভিযোগ করেছেন, তাকে মারধর করার পাশাপাশি কাপড় খুলেও তল্লাশি করা হয়।

অভিযোগের পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে এএসআই সোহেল রানাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঘটনায় পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত আলমগীর হোসেন (২৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তিনি হরিরামপুরের কর্মকারকান্দি বয়ড়া গ্রামের বাসিন্দা।

তায়েফের অভিযোগ, এএসআই সোহেল ও আলমগীর তার মোটরসাইকেল থামিয়ে শরীর তল্লাশি করেন। তার কাছে অবৈধ কিছু আছে কি না জানতে চেয়ে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে কাপড় খুলেও তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার ২ হাজার ৬০০ টাকা ও মোবাইল ফোন নেওয়া হয়।

পরে মোবাইল ফেরত দেওয়া হলেও টাকা নিয়ে সোহেল ও আলমগীর ইজিবাইকে করে চলে যান বলে দাবি করেন তায়েফ। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি ও তার বন্ধুরা তাদের অনুসরণ করেন।

পরে হরুকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে তাদের দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা আলমগীরকে আটক করেন। এ সময় এএসআই সোহেল মোটরসাইকেলে করে চলে যান। খবর পেয়ে পুলিশ আলমগীরকে থানায় নিয়ে যায়।

জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর স্থানীয়দের জানান, এএসআই সোহেলের নির্দেশেই তিনি তায়েফের মোটরসাইকেল থামিয়ে টাকা ও মোবাইল নিয়েছিলেন। পরে মোবাইল ফেরত দেওয়া হলেও টাকা নিয়ে সোহেল চলে যান বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে এএসআই সোহেল রানার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

হরিরামপুর থানার ওসি মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের না জানিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে যাওয়ায় সোহেল রানাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। আলমগীরের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ হয়নি। তবে তাকে ১৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *